দুই দেশের মুদ্রা পরস্পর বেচাকেনা করা

দুই দেশের মধ্যে পরস্পর বেশি কমে বেচা-কেনা করা জায়েজ আছে কিন্তু লেনদেন করার সময় উভয় দিক থেকে বাকি দেওয়া জায়েজ নেই। বরং একদিক থেকে তৎক্ষণাৎ আয়ত্ত করতে হবে।

বেচাকেনায় ডলার-পাউন্ড রিয়াল ইত্যাদি ব্যবহার করা

যখন এক্সপোর্টকারী ভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীদের হাতে মাল বিক্রি করে, তখন মালের দাম সাধারণত আমেরিকান ডলার, ইংল্যান্ডের পাউন্ড, অথবা সৌদি রিয়াল ইত্যাদি দ্বারা দেওয়া হয়, আর এ মুদ্রা সরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে তার কাছে আসে। সরকার এক্সপোর্টারকে সমপরিমান দেয় না, বরং ওই মুদ্রার বিনিময় বাংলাদেশী টাকা যত হয়, সে হিসেব করে তত দেয়।

এমতাবস্থায় যদি কখনো ডলার ইত্যাদির দাম বেড়ে যায় তাহলে সরকার মুদ্রা হিসেব করে বিনিময় বাংলাদেশী টাকা বেশি দেয়, এবং এক্সপোর্টার নিজের হিসেব থেকেও মুনাফা বেশি পায়। সে যে অতিরিক্ত মুনাফা পেল শরীয়তের বিধান অনুযায়ী তা তার জন্য সুদ না, বরং হালাল এবং পবিত্র।

অনুরূপভাবে ডলারের দাম যদি কমে যায় এবং তার হিসেব থেকে সে বাংলাদেশী টাকা কম পায় তাহলে শরীয়তের বিধান অনুযায়ী তার হক ও অধিকার থেকে কম না।

যে চারটি কারণে গোসল ফরয হয়

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

শেয়ার করুন