পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের রাকাত

পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের রাকাত

ফজরের নামায: ফজরের নামায চার রাকাত। দু’ রাকাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ এবং দু’ রাকাত ফরয।

জোহরের নামায : জোহরের নামায বার রাকাত। চার রাকাত সুন্নাতে মোয়াক্কাদাহ, চার রাকাত ফরয, দু’ রাকাত সুন্নাতে মোয়াক্কাদাহ এবং দু’ রাকাত নফল ।

আসরের নামায : আসরের নামায আট রাকাত। চার রাকাত সুন্নাতে গায়েরে মুয়াক্কাদাহ এবং চার রাকাত ফরয।

মাগরিবের নামায : মাগিরবের নামায সাত রাকাত। তিন রাকাত ফরয, দু’ রাকাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ এবং দু’ রাকাত নফল ।

এশার নামায : এশার নামায পনের রাকাত। চার রাকাত সুন্নাতে গায়রে মুয়াক্কাদাহ, চার রাকাত ফরয, দু’ রাকাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ, দু’ রাকাত নফল, তিন রাকাত বিতির। (নফল ও সুন্নাতে গায়রে মুয়াক্কাদা না পড়লে গোনাহ্ হবেনা। ) এখন রইলো ৯ রাকাত।

বিতির নামায : বিতিরের নামায ওয়াজিব। অর্থাৎ ফরযের কাছাকাছি। কাজেই বিতিরের নামায কখনো ছাড়া জায়েয নেই। প্রিয় নবী ইরশাদ করেছেন, “বিতিরের নামায তরককারী আমাদের দলভুক্ত নয়। শেষ বাক্যটি তিনবার বলেছেন।” বিতর এর নামায ছুটে গেলে কাযা করতে হবে।

নফল এবং সুন্নাতে গায়েরে মুয়াক্কাদাহ ছেড়ে দেয়া জায়েয,তবে সওয়াব থেকে বঞ্চিত হতে হবে। আর সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ ছেড়ে দেয়া জায়েয নেই। সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহর মধ্যে ফজরের সুন্নত সবচে’ গুরুত্বপূর্ণ। অতঃপর জোহরের পূর্বের সুন্নত তারপর অন্যান্য সুন্নত। তবে সবগুলো সুন্নত নামাযের ব্যাপারেই যত্নবান হওয়া আমাদের উচিত।

নামাযের নিয়ত

নিয়ত অর্থ মনের ইচ্ছা, কাজেই মনে মনে নিয়ত করাই যথেষ্ট। মুখে উচ্চারণ করা জরুরী নয়। মনে মনে এরূপ নিয়ত করবে। আমি মহান আল্লাহর ওয়াস্তে কিবলামুখী হয়ে অমুক নামাযের অত রাকাত ফরজ বা সুন্নত বা নফল নামায আদায় করছি। আল্লাহু আকবার। নিয়ত করার পর আল্লাহু আকবার বলাকে তাকবীরে তাহরীমা বলে। সুতরাং নামায শুরু করার নিয়তে আল্লাহু আকবার বলে উভয় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠিয়ে নাভির উপরে বাঁধবে।

Leave a Comment