মুসলিম উম্মাহ্ সংগঠনের কর্মপন্থা


১। দৈনন্দিন আমল:
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বো। সদা সত্য কথা বলবো। হালাল উপার্জন করবো। হারাম বর্জন করবো। সকল ফরজ ও ওয়াজিব বিধান গুলো আদায় করবো। সুন্নাত ও মাসনুন দোয়াগুলো আমল করার চেষ্টা করবো। সম্ভব হলে প্রতি দিন ফজর নামাজ পর সুরা ইয়াসিন এবং ঘুমানোর পুর্বে সূরা মূলক/দরুদ শরীফ ও তিন তাসবীহ্ (সুবহান্নাহ্ ৩৩বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩বার আল্লাহু আকবার ৩৪বার পাঠ করবো।

২। সাপ্তাহিক আমল:
প্রতি সপ্তাহে নির্ধারিত দিনে নিজ মহল্লা মসজিদে এশার নামাজ পর ইমাম/আমিরের নেতৃত্বে আমল শুরু হবে। প্রথমে কুরআন হাদীসের আলোকে যুগোপযোগী ও শিক্ষা মূলক সংক্ষিপ্ত আলোচনা হবে। তারপর জিকির শুরু হবে (এটা অবস্যই শিক্ষার উদ্দেশ্য নিয়ে: একজন বিজ্ঞ আলেমের মুখ থেকে উচ্চারিত সহিহ শব্দ শুনে শ্রোতা হুবহু সেভাবে উচ্চারন করবে, পরবর্তিতে নিজে নিজে জিকির করবে, এটাই উদ্দেশ্য) যেমন সুবহান্নাহ্ ১০০বার, আলহামদুলিল্লাহ ১০০বার, আল্লাহু আকবার ১০০বার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ ১০০বার, আল্লাহু ১০০বার। অতপর আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হবে।

৩। মাসিক আমল:
প্রতি মাসে আমরা সকলেই স্ব-উদ্যোগে সাথী ভাইদের ও অন্যান্যদের দাওয়াত দিয়ে কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত দিনে ও নির্ধারিত স্থানে (মসজিদে) সমবেত হবো। ( ইংশাআল্লাহ্ ) অতপর মাগরিব নামাজ পর উলামায়ে একরাম কুরআন তাফসীর পেশ করবেন ও বর্তমান সময়ে আমাদের করণীয় ও বর্জণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিবেন। তারপর আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করবেন। অতপর এশা নামাজ পর তাবারক গ্রহণ করবে (তাবারকঃ আল্লাহ যদি সহায় হন )। বি.দ্র. : সেচ্ছায় ওয়াদা কৃত এয়ানত পরিশোধ করবো।

৪। বাৎসরিক তাফসীর মাহফিল:
প্রতি বছর জাতীর হেদায়াতের উদ্দেশ্যে ও নিজেদের সংশোধনের লক্ষ্যে ‘তাফসীরুল কুরআন’ মাহফিলের আয়োজন করবো । এবং মুসলিম উম্মাহ্ সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কি তা প্রদর্শন করবো। ইংশাআল্লাহ

৫। ভাতৃত্ব বন্ধন ও ঐক্য বজায় রাখা:
আমরা একে অন্যের সাথে দেখা হলে সালাম বিনিময় করবো। এবং সাথী ভাইদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলবো। বিপদে-আপদে একে অন্যের পাশে দাঁড়াবো। সুযোগ থাকলে সাথী ভাইদের কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করবো। একে অন্যকে সহযোগিতা করাকে সোভাগ্য মনে করবো। সকল মতপার্থক্য ভুলে ইমান ও ইসলামের মৌলিক আকিদার উপর থাকা সকল কে মুসলিম ভাই মনে করবো।

৬। সমাজ সেবা:
সমাজের সকল শ্রেীনির মানুষদেরকে আল্লাহর পথে আহবান (দওয়াত) করবো। যুব সমাজকে মাদকাশক্তি, অশ্লিল কার্যকলাপ, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদে জড়িত হওয়া থেকে রক্ষা করবো। সমাজের অভাবগ্রস্তদের অন্ন-বস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করবো। অসুস্থ ব্যক্তিদের খোজ-খবর নেব, বুদ্ধি মরামর্শ ও সামর্থ অনুযায়ী অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করবো, প্রয়োজনে রক্ত দান করবো। ইসলাম, সমাজ বা রাস্ট্র বিরোধী কর্মকান্ড দেখলে তা প্রতিরোধ করবো। মৃত্য ব্যাক্তির জানাযা, কাফন দাফনে অংশ গ্রহণ করবো। ইংশাআল্লাহ্

ইসলামী ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্য

মুসলমানের মাঝে দন্দ বা বিভক্তির কারণ কি?

গোপন মাসাআলা

আমাদের ইউটিউব ইউটিব চ্যানেল

Spread the love

Leave a Comment