শিশুদের লালন পালন পদ্ধতি

শিশুদের লালন পালন পদ্ধতি

১। শিশুদের হাত, পা, মুখমন্ডল ইত্যাদি ভালো ভাবে ধৌত করে দিবেন, অথবা মুছে দিবেন। তা না হলে যেখানে ময়লা জমে থাকবে, সেখানে ঘা হয়ে যেতে পারে, চুলকানি হতে পারে।

২। শিশুরা পায়খানা পেশাব করলে, তখনই তাদের পায়খানা পেশাবের স্থান ভাল করে ধৌত করে দিবেন। কারণ ময়লা লেগে থাকলে সেখানে ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে।

৩। শিশুদের অতিরিক্ত কোলে রাখা যাবেনা, কারণ তাতে তারা দুর্বল ও অলস হয়ে উঠবে।

৪। শিশুরা যখন খানা খাওয়ার উপযুক্ত হয় তখন চাকরানীর হাতে খাওয়াবেন না। নিজ হাতে মনোযোগ দিয়ে খানা খাওয়াতে হবে, এবং খানার ব্যাপারে সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে।

৫। শিশুদের যখন কিছু বুদ্ধি হয়, তখন তাদেরকে নিজ হাতে এবং ডান হাতে খেতে অভ্যস্ত করবেন। এবং খানা খাওয়ার পূর্বে হাত মুখ ভালো করে ধৌত করে দিবেন। অল্প খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।

৬। শিশুদেরকে সর্বদা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা যায় সেদিকে মা-বাবার সতর্ক হওয়া দরকার।

৭। যতদূর সম্ভব শিশুদেরকে ভদ্রলোকের ছেলে মেয়েদের সাথে থাকতে দিলে তারাও ভদ্র হয়ে উঠবে। দুষ্টু ছেলে মেয়েদের সাথে মিশলে তারাও তাদের সাথে মিশে দুষ্ট এবং অসৎ হয়ে যেতে পারে।

৮। শিশুদের উপর বেশি পড়ার বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, বরং প্রথমে আধা ঘন্টা তারপর এক ঘন্টা করে পড়াতে আরম্ভ করবেন। তারপর বয়স বাড়ার সাথে সাথে ক্রমাগত পড়ার চাপ সৃষ্টি করবেন। অধিক চাপ সৃষ্টি করলে শিশুদের স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে পারে। এবং তারা একঘেয়েমি হয়ে পরবর্তীতে আর পড়াশোনা করতে চাবে না, সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

৯। ছেলেমেয়েদেরকে যে বিষয়ে শিক্ষা দাও না কেন, সে বিষয়ে পূর্ণ উপযুক্ত ও জ্ঞানী পারদর্শী শিক্ষকের দ্বারা শিক্ষা দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন। তাতে আপনার সন্তানও যোগ্য হয়ে উঠবে। টাকার অভাবে অযোগ্য শিক্ষকের নিকট বাচ্চাদের পড়াবেন না। তাতে তারা অযোগ্য হয়ে উঠবে।

১০। কঠিন বিষয় ভোরের দিকে এবং সহজ পড়া তৃতীয় প্রহরে রেখে রুটিন তৈরি করে দিবেন। ১১। এবং শিশুদেরকে সাত বছর বয়সে আপনি যখন নামাজ পড়বেন তখন তাকে পাশে দাঁড় করে দিবেন নামাজের বিষয় শিক্ষা দিবেন।

এবং ১০ বছর বয়সে নামাজের প্রতি গুরুত্ব দিবেন।  এবং নামাজ পড়ার অভ্যাস করে গড়ে তুলবেন।১২বছর বয়সে নামাজ পড়তে বাধ্য করবেন। আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের ইসলামিক জীবন-যাপন করার তৌফিক দান করুন। আমিন

Spread the love

Leave a Comment