ভিটামিন (A):

মাখন, দুধের সর, কডলিভার অয়েল, টাটকা শাকসবজি, লাল ও হলুদ ফল, পশুর যকৃত, পালংশাক, মিষ্টি আলু ইত্যাদিতে পাওয়া যায়।

উপকারিতা:

ভিটামিন (A) দেহের বৃদ্ধি ও পুষ্টি সাধন করে, রোগ প্রতিষেধক ক্ষমতা বাড়ায়, দৃষ্টিশক্তি অক্ষুন্ন রাখে।

ভিটামিন (A) এর অভাবে রাতকানা ও নানা প্রকার চর্ম রোগ হতে পারে।

ভিটামিন (B):

চাল, ডাল, আটা, বাদাম, অঙ্কুরিত শস্য, মাছ, পশুর যকৃত, ডিম, আলু, কলা, পুইশাক প্রভৃতি।

উপকারিতা:

স্বাস্থ্য রক্ষা করে, স্নায়ুর পুষ্টি বৃদ্ধি পায়, কার্যক্ষমতা ও সাহস বৃদ্ধি করে, শিশুদের বৃদ্ধি বজায় রাখে।

ভিটামিন (B) এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয় পরিপাক শক্তির ব্যাঘাত হয়।

 

ভিটামিন (C): অঙ্কুরিত শস্য, লেবু, আনারস, আম, টমেটো, বেগুন, টাটকা শাক-সবজি, মাছের ডিম, বাঁধাকপি, গোলাপ জাম,

উপকারিতা:

রক্ত ও দেহের রসগুলিকে সুস্থ রাখে, রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়।

ভিটামিন (C): এর অভাবে স্কার্ভি রোগ দেখা যায় দাঁতের মাড়ি নষ্ট হয় অকালে দাঁত পড়ে যায়।

 

ভিটামিন (D): ডিম, দুধ, মাখন, মাছের তেল, পশুর যকৃত, ছোট মাছ, কাঁচা শাকসবজি, বাঁধাকপি ইত্যাদি।

ভিটামিন (D) এর উপকারিতা অস্তি, দন্ত, ও পেশি গঠনে সাহায্য করে।

ভিটামিন (D) এর অভাবে আস্থি দুর্বল হয় ও রিকেট রোগ হয়।

 

ভিটামিন (E) : কডলিভার তেল, ঢেঁকিছাটা কোরা যুক্ত চাউল, গম ও জব, বাদাম, ডিমের কুসুম।

ভিটামিন (E)  এর উপকারিতা মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা করে।

ভিটামিন (E)  এর অভাবে প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়, সহবাসে অক্ষম হয়, যৌনশক্তি লোপ পায়।

যে চারটি কারণে গোসল ফরয হয়

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

শেয়ার করুন