হজরত ওমর (রাঃ) কে ইসলামের দাওয়াত প্রদান

হজরত ওমর (রাঃ) কে ইসলামের দাওয়াত প্রদান

একদা নবী করীম (সাঃ) এই দোয়া করিলেন,হে আল্লাহ! ইসলমকে ওমর ইবনে খাওাব অথবা আবু জেহেল ইবনে হেশামের দ্বারা শক্তি দান কর। আল্লাহ তায়ালা হজরত ওমর (রাঃ)-এর ব্যাপারে নবীজীর এই দোয়া কবুল করিলেন। হজরত ওমর (রাঃ)-এর ইসলম গ্রহণের পরই মূতি পূজার দেওয়াল ধ্বংস হইতে লাগিল এবং ইসলামের দেওয়াল শক্তিশালী হইয়া উঠিল।

তিবরানী গ্রন্থে সাওবান হইতে এই হাদীস বর্ণিত হইয়াছে যে, নবী করীম (সাঃ) হজরত ওমরের দুই বাহু ধরিয়া নাড়া দিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, কি উদ্দেশ্যে আসিয়াছ? হজরত ওমর (রাঃ) বলিলেন, আপনি যেই জিনিসের সবাইকে দাওয়াত দিতেছেন, আমার নিকটেও তাহা বলুন।

নবী করীম (সাঃ) বলিরেন, সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নাই, তাঁহার কোন শরীক নাই মোহাম্মদ (সাঃ) তাঁহার বান্দা ও রাসুল। একথা শুনামাএ হজরত ওমর (রাঃ) সেখানের ইসলাম গ্রহন করিলেন।

আসলাম (রাঃ) বলেন, হজরত ওমর (রাঃ) আসাদেরকে বলিলেন, তোমরা কি চাও যে, আমি আমার ইসলম গ্রহনের প্রাথমিক কাহিনী তোমাদের নিকট ব্যক্ত করি? আমরা বলিলাম জি-হ্যাঁ অশ্যই। হজরত ওমর (রাঃ) বলিলেন, আমি ছিলাম আল্লাহর রাসূলের শত্রুদের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু।

সাফা পাহাড়ের নিকটবর্তী একটি গৃহে নবীজী অবস্থান করিতেছিলেন। আমি তাঁহার নিকট গিয়া সম্মুখে বসিলাম নবীজী আমার কামিজ ধরিয়া বলিলেন, হে খাওাবের পুএ! ইসলম গ্রহন কর। সাথে এই দোয়া করিলেন, হে আল্লাহ! তাহাকে হেদায়াত  দান কর। সঙ্গে সঙ্গে আমার মুখ হইতে উচ্চারিত হইল, আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নাই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিতেছি যে, মোহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর রাসূল।

আমার ইসলাম গ্রহনের পর মুসলমানরা এত জোরে তাগবির ধ্বনি উচ্চারণ করিলেন যে, মক্কার সকল কলিতে-কলিতে উহার প্রতিধ্বনি শুনা গিয়াছিল।

অনুপ্রেরণার বাণী

মুখের ব্রণ দূর করার সহজ উপায়

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

Spread the love

Leave a Comment