হযরত ইউসুফ (আঃ)-এর খালা

হযরত ইউসুফ (আঃ)-এর খালা

হযরত ইউসুফ (আঃ)-এর কাহিনী কোরআনে বর্ণিত হয়েছে। তিনি যখন মিসরের বাদশাহ্ তখন একবার ভীষণ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। এই সময় তার অন্যান্য ভ্রাতাগণ খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করবার জন্য তার নিকট আগমন করে। হযরত ইউসুফ(আঃ)তাদেরকে চিনতে পেরে স্বীয় পরিচয় প্রদান করেন।

ইহার পর পিতা হযরত ইয়াকুব(আঃ)-এর অন্ধচোখের উপর ঢেলে ‍দিবার জন্য তার একখানা জামা ভ্রাতাগণের নিকট অর্পণ করেন।(উল্লেখযোগ্য যে,পিতা হযরত ইয়াকুব (আঃ) পুত্র হযরত ইউসুফ (আঃ)-কে হারিয়ে কাঁদতে কাঁদতে চক্ষু অন্ধ করে ফেলেছিলেন)। আরও বল্লেন,তাদের সপরিবারে তার নিকট চলে আসতে।

ইউসুফ (আঃ) ভ্রাতাগণকে বিদায় করলেন। উক্ত জামার বরকতে পিতা ইয়াকুবের অন্ধ চোখ ভালো হয়ে গেল। অতঃপর তারা সকলেই সপরিবারে মিসরে পৌঁছিয়া হযরত ইউসুফের সহিত মিলিত হলেন। হযরত ইউসুফ (আঃ)পিতা ইয়াকুব (আঃ)ও তার খালাকে সম্মার্থে রাজসিংহাসনে উপবেশন করলেন। ভ্রাতাগণ তার সম্মানার্থে সজদা করল।সেই জমানায় সালামের পরিবর্তে সজদার প্রচলিত ছিল।

এই যমানায় সজদা করা না জায়েয-বিলকুল হারাম।ইউসুফ(আঃ)-এর মাতার মৃত্যুর পরে হযরত ইয়াকুব (আঃ) তার খালাকে বিবাহ করেন। এমনও বর্ণিত আছে যে,তিনিই হযরত ইউসুফ (আঃ)-এর মাতা এবং তার নাম রাহেলা।ইউসুফ (আঃ) বলেছেন, এই ঘটনাই আমার বাল্যকালীন খাবের তাবির। তিনি খাবে দেখে ছিলেন,চন্দ্র-সূর্য এবং এগারটি নক্ষত্র তাকে সজদা করতেছে।

এখানে চিন্তার খোরাক এই যে,অবলা একজন নারী তিনিও কত বড় বোযুর্গী হাছেল করেছিলেন।এত বড় একজন পয়গম্বর ও তাকে শান-শওকতের সহিত অভিনন্দিত করলেন,সম্মান প্রদর্শন করলেন।

বীর্য ঘন করার ঔষধ তৈরির পদ্ধতি

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

Spread the love

Leave a Comment