উম্মে মাবাদ ও তার স্বামীর ইসলাম গ্রহণ
রাসূলুল্লাহ সা. এর মুজেযা এবং উম্মে মাবাদ ও তার স্বামীর ইসলাম গ্রহণ
রাস্তায় এক নারী (উম্মে মাবাদ বিনতে খালিদ) এর বাড়ির পাশ দিয়ে অতিক্রম হল। তার বকরি যা সামান্য দুধও দিত না, মহানবী সা. তার বানে হাত বুলালে তা দুধে ভরপুর হয়ে যায়। যা মহানবী সা. নিজেও পান করলেন এবং সাথীদেরকে পান করালেন। এ বরকত এভাবেই অব্যাহত থাকল। যখন মহানবী সা. সেখান থেকে রওয়ানা দিলেন, তখন উম্মে মাবাদের স্বামী আসল ।
সাস্থসম্মত উপায়ে তৈরি ১০০%-খাঁটি-ঘি
বকরির এ আশ্চর্য ঘটনা দেখে সে হতভম্ভ হয়ে গেল। কারণ জিজ্ঞেস করলে উম্মে মাবাদ বলল, একজন অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত এবং ভদ্র যুবক আজ আমাদের এখানে সামান্য সময়ের জন্য মেহমান হয়েছিলেন। এসব তাঁর হাতের বরকত। স্বামী একথা শ্রবণ করে বলতে লাগল আল্লাহর শপথ এ তো সেই মক্কার বুযুর্গ মনে হচ্ছে। এক বর্ণনাতে রয়েছে, এরপরে তারা উভয়ই হিজরত করে মদীনায় গিয়ে মুসলমান হয়ে যায় ।
কুবায় অবতরণ
সেখান থেকে রওয়ানা হয়ে মহানবী সা. কুবায় পৌঁছলেন। (এটা মদীনার নিকটবর্তী একটি স্থান) যখন আনসারদের কাছে মহানবী সা. এর আগমনবার্তা পৌঁছল, তখন থেকে তারা বাড়ি থেকে বের হয়ে স্বাগতম জানানোর জন্য প্রত্যহ আসত। সে দিনেও নিয়ম অনুযায়ী অপেক্ষা করে প্রত্যাবর্তন করলেন। হঠাৎ এক আওয়াজ শোনা গেল যে, যার প্রতীক্ষায় ছিলেন তিনি এসে গেছেন।
মহানবী সা.কে আগমন করতে দেখে সকলেই অত্যাধিক আনন্দের সাথে স্বাগতম জানাল। রাসূলুল্লাহ সা. ও তাঁর সাথীবর্গ চৌদ্দ দিন কুবায় অবস্থান করেন। সে সময়ই মহানবী সা. কুবায় একটি মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করেন। এটা সর্বপ্রথম মসজিদ যা ইসলামে নির্মাণ করা হয়েছে।
এফিলিয়েট মার্কেটিং করে উপার্জন
নবী রাসুলগণ কিভাবে অর্থ উপার্জন করতেন?
সাহাবাগণ কিভাবে অর্থ উপার্জন করতেন