Narrow selection

​​​​​​​কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায় - Ways to get rid of constipation


06:38:25 12/11/2023

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায় : আমরা সবাই কমবেশি এই শব্দটির সাথে পরিচিত। জীবনে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়নি এমন লোক কমই আছে। অনেক ক্ষেত্রেই এই সমস্যাটা এমনিতাই ঠিক হয়ে যায় আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটা রোগীর চরম অস্বস্তি এবং কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তুলনামূলকভাবে আমাদের দেশে মহিলা, শিশু ও বয়স্করা এ সমস্যায় বেশি ভুগে থাকেন। অনেকেই এমন আছেন যারা দীর্ঘ দিন এ সমস্যায় ভুগছেন কিন্তু কোনো প্রতিকার করছেন না, পরবর্তীতে অনেক জটিল সমস্যার সৃষ্টি করে বসে থাকেন।

অতি পরিচিত এই ছোট সমস্যাটি নিয়ে আজকে আমাদের ক্ষুদ্র আলোচনা। প্রাথমিকভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য বা Constipation বলতে আমরা বুঝি পায়খানা শক্ত হয়ে যাওয়া, কমে যাওয়া অথবা পায়খানা সারতে অনেক বেগ পাওয়া—এমন অবস্থা। মেডিকেলের ভাষায় কোষ্ঠকাঠিন্য হলো সপ্তাহে দুই বা তার কমবার পায়খানা হওয়া। আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে কোষ্ঠকাঠিন্য কোনো রোগ নয়—এটা বিভিন্ন রোগের একটা উপসর্গ মাত্র। এত রোগের সাথে এটা সংশ্লিষ্ট যে বিস্তারিত আলোচনা সর্বসাধারণের জন্য জটিল হয়ে যাবে এক কথায় প্রযোজ্য নয়। তবে প্রধান প্রধান কারণগুলো কিছুটা আলোকপাত করা হলো।

সর্বাধিক যে কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হয় তাহলো কম আশযুক্ত খাবার গ্রহণ, পানি কম খাওয়া এবং অনিয়মিত মলত্যাগের অভ্যাস (Poor bowel habits)। এছাড়া যারা শারীরিক পরিশ্রম কম করে থাকেন তারাও কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগতে পারেন। যেসব ওষুধ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াস্বরূপ কোষ্ঠকাঠিন্য করতে পরে এর মধ্যে আছে ভিটামিন (আয়রন, ক্যালসিয়াম), ঘুমের ওষুধ, অ্যালুমিনিয়ামযুক্ত এন্টাসিড, এন্টিকলিনার্জিকস (এন্টি হিস্টামিন, এন্টিডিপ্রেসেন্ট), NSAIDS, Diuretics ইত্যাদি। বিভিন্ন ধরনের রোগ যেমন—হরমোনজনিত সমস্যা, খাদ্যনালীর গঠনে সমস্যা, পাইলস, IBS, অস্ত্রের টিউমার অথবা যারা গর্ভবতী কিংবা ডায়বেটিসে ভুগছে তাদের কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।

চিকিৎসা পদ্ধতি বর্ণনার পূর্বে বলে নেয়া ভালো এখানে সাময়িক চিকিৎসার কথা আলোচনা করা হচ্ছে এবং যেখানে কোষ্ঠকাঠিন্য বিভিন্ন জটিল রোগের সাথে সংশ্লিষ্ট সেখানে মূল রোগের চিকিৎসা না করা পর্যন্ত কোষ্ঠকাঠিন্য স্থায়ীভাবে ভালো হবে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কিছু নিয়য়-কানুন মানলেই অনেক উপকার পাওয়া যায় যেমন—নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করা, আশযুক্ত খাবার গ্রহণ এবং প্রচুর পানি পান করা।

উপরোক্ত পদ্ধতিতে কাজ না হলে ব্র্যান পাউডার (Bran powder), ইছবভূসি দৈনিক রাতে এক গ্লাস খেতে পারেন। যাদের সমস্যা থেকেই যাবে তারা আরো কিছু ওষুধের সাহায্য নিতে পারেন। যেমন- Tab. Duralax অথবা Tab. Laxenna প্রতি রাতে ২টি করে একত্রে অথবা Syp. Avolac দৈনিক ২ বা ৩ চামচ করে ২ বার খেতে পারেন। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে glycerine suppository ব্যবহার করা যেতে পারে। যারা দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী তাদের ক্ষেত্রে Liquid paraffin অথবা এনেমা (Enema) ব্যবহার করা যেতে পারে।

 

 


No comments yet


Leave a comment

 


Name *:



Design theme color

Primary color


Alternative color