অদৃশ্যের প্রতি ঈমান আনা কি জরুরী?

উত্তর:গায়েবের উপর ঈমান আনা আবশ্যক। আর কাশফ্ ও মোশাহাদা দ্বারা যা কিছু বুঝা যায় তা কেবল সদৃশ্য ও উদাহরণস্বরূপ মাত্র। তা ‘না’ বাচক শব্দের অধীনে আনা উচিত। অর্থাৎ পরিত্যাগ করা উচিত। আল্লাহর খাস বান্দাহ্গণ এমনই বলেছেন।

অতএব আমরা এ কথার উপর ঈমান রাখছি যে, আল্লাহ তা’আলা যাবতীয় বস্তুকে বেষ্টনকারী এবং তিনি যাবতীয় বস্তুর নিকটবর্তীও। অবশ্য আমরা বেস্টন করা, নিকটবর্তী হওয়া ও সঙ্গে থাকার অর্থ জানিনা যে, তা কি? অনুরূপভাবে আল্লাহ তা’আলার পবিত্র সত্তা ও আরশ এর উপর অধিষ্ঠিত হওয়া, মুমিনের অন্তরে সংকুলান হওয়া, রাতের শেষ অংশে প্রথম আসমানে অবতীর্ণ হওয়া যা হাদিস ও কুরআনের আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, (আমরা তার অর্থ জানিনা) অনুরূপভাবে আল্লাহ তা’আলার জন্য হাত ও চেহারা, যে সম্পর্কে কোরআনের আয়াত নাযিল হয়েছে তাও আমরা বুঝিনা। কিন্তু এসব বিষয়ের উপর ঈমান আনা আবশ্যক।

আর এর জাহেরী অর্থের ওপর প্রয়োগ করা উচিত নয়। এসব শব্দের (আনুমানিক) ব্যাখ্যার পেছনেও পড়া উচিত নয়। আল্লাহর এলেমের উপরই এর ব্যাখ্যা অর্পণ করা উচিত। যেন এমন না হয় যে, যা অসত্য তাকে সত্য মনে করে বসে। আল্লাহ তা’আলার কার্যাবলী ও গুণাবলী সম্পর্কে মানুষের বরং ফেরেশতাদের পক্ষে অজ্ঞতা ও বিস্ময় ব্যতীত কিছুই নয়। কোরআনের আয়াতসমূহ অস্বীকার করা কুফরি। আর অবাস্তব ব্যাখ্যা দান চরম মূর্খতা।

হার্টের রোগে নামাজের ভূমিকা

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

 

শেয়ার করুন