ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা

বর্তমানে ট্রাক, ট্রাক্টর, বাস, ইত্যাদি কেনার পদ্ধতি হল- যাকে এগুলো কিনতে হয় সে ব্যাংকের আশ্রয় নেয় দুই কারণে, হয়তো সে একসঙ্গে এত টাকা জোগাড় করতে পারে না, অথবা জোগাড় করতে পারে কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে তাকে এ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় যে, এত টাকা কোথায় পেয়েছে। উহার ইনকাম ট্যাক্স কোথায় দিয়েছে এ ধরনের বাধা এবং প্রশ্নের কারণে তাকে ব্যাংকের আশ্রয় নিতে হয়।

ব্যাংক তাকে অনুমতি দেয় যে আপনি নিজেই কোম্পানির সাথে কথা বলে নিজের পছন্দ মত গাড়ি কিনে নেন। ব্যাংক মূল্য পরিশোধ করে দিবে। পরবর্তীতে এই ব্যক্তি যখন ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করবে তখন তাকে সুদসহ পরিশোধ করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ যদি এক লাখ টাকা দিয়ে গাড়ি কিনে থাকে তাহলে কিস্তিতে ব্যাংকে ওই ব্যক্তির দিতে হবে এক লাখ ১০ হাজার টাকা। এভাবে লেনদেন করা শরীয়তে নাজায়েজ এবং হারাম।

তবে ইসলামের দৃষ্টিতে একটি নিয়ম রয়েছে যাকে বলা হয় ‘বায়ী সালাম’ যেমন: কোন ব্যক্তি একটি সিএনজি ক্রয় করবে অথবা ফ্রিজ ক্রয় করবে, যদি তার নিকট নগদ টাকা না থাকে, নগদ কিনলে চার লাখ টাকা বাকিতে কিনলে তাকে দিতে হবে সাড়ে চার লাখ টাকা। টাকাগুলো কিস্তিতে পরিশোধ করবে এভাবেই ক্রয়-বিক্রয় করা সম্পূর্ণ বৈধ। যেমন মালিকপক্ষ চার লক্ষ টাকা দিয়ে ক্রয় করে ক্রেতাকে বলে দিলো যে তোমাকে সাড়ে চার লক্ষ টাকা দিতে হবে, তবে তোমার জন্য সুবিধা হল তুমি ধীরে ধীরে কিস্তিতে এক বছরে পরিশোধ করবে এভাবে লেনদেন করা সম্পূর্ণ জায়েজ।

শর্ত হলো

১। গাড়ির মান যাচাই করতে হবে।

২। মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।

৩। এবং টাকা পরিশোধের তারিখ নির্ধারিণ করতে হবে।

যে চারটি কারণে গোসল ফরয হয়

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

Spread the love

Leave a Comment