কেমন নারীকে বিবাহ করা উচিত

বিবাহের ক্ষেত্রে এমন নারী নির্বাচন করবে যার মধ্যে ধার্মিকতা ও আমল আখলাক এর ক্ষেত্রে স্বামীর চেয়ে উত্তম। এতে সে নারী অর্থ সম্পদের ক্ষেত্রে স্বামী তুলনায় কম হোক তাতে কিছু আসে যায় না। নারীর চেহারা গোলাকার হলে সবচেয়ে ভালো। গোলাকার ও লম্বাকৃতির চেহারা আল্লাহর সৃষ্টি তবে গোলাকার চেহারার অধিকারী নারীর কিছু অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য থাকে যা সাংসারিক জীবনে সুখের সৃষ্টি করে।

তবে স্ত্রী দূরের বংসের হওয়াটা বেশি উপকারী। কারণ নিকটাত্মীয় অর্থাৎ চাচাতো ফুফাতো মামাতো খালাতো বোন ইত্যাদি আপন আত্বীয়ের মধ্যে দূরের তুলনায় ভালবাসা মহব্বত কম হয়ে থাকে। এদের থেকে যে সন্তান জন্মগ্রহণ করে সাধারণত তারা মেধা শক্তি ও জ্ঞান-গরিমায় দুর্বল হয়ে থাকে। কখনো কখনো বিকলাঙ্গ বা বিভিন্ন জটিল রোগের শিকার হয়ে থাকে। এজন্য যথাসম্ভব দূরের কোনো নারীকে বিবাহ করবে। কেননা দূরের আত্মীয়দের সাথে মুহাব্বত ভালোবাসা বেশি হয়ে থাকে। আর সন্তানাদি জ্ঞান-বুদ্ধির দিক দিয়ে তীক্ষ্ণ হয়ে থাকে।

সাথে সাথে নতুন করে একটি অংশের সাথে সম্পর্ক করার দ্বারা বংশধারা বৃদ্ধি পায়। দ্বীনি ও দুনিয়াবী শিক্ষায় শিক্ষিত নারীকে বিবাহ করা উচিত। একেবারে মূর্খ অশিক্ষিতা নারীকে বিবাহ না করাই উত্তম।

নারী মোটা হওয়া ছেলের পছন্দের উপর নির্ভর করবে। কারো পছন্দ মোটা মেয়ে আবার কারো পছন্দ হালকা-পাতলা মেয়ে। তবে অধিকাংশ লোকজন হালকা-পাতলা নারীকে বেশি পছন্দ করে থাকে। পক্ষান্তরে আরবের লোকেরা মোটা মেয়েকে বেশি পছন্দ করে থাকে।

এক হাদীসে নবী কারীম (স.) বলেনঃ তোমরা এমন মহিলাকে বিবাহ কর, যার থেকে বেশি বেশি সন্তান জন্ম নেয়। প্রশ্ন হতে পারে যে, বিবাহের আগেই অধিক সন্তান হওয়ার নিদর্শন কি? এই বিষয়টি বুঝতে হলে উক্ত মেয়ের সহোদররা অর্থাৎ সন্তানাদি কতগুলি অথবা ও মহিলার সহোদর বোন কতজন কিংবা তার ভাইয়ের সন্তানাদি কতজন তাদের সন্তানাদি বেশি হলে আশা করা যায় যে, এ মহিলার থেকেও অধিক সন্তানাদি হবে।

বিবাহের ক্ষেত্রে নির্বাচিত নারী যেন বাঁজা নাহয়ে থাকে। বাঁজা বলা হয় ঐ নারীকে, সন্তান জন্ম দেয়ার যোগ্যতা যে নারীর নেই।

দীর্ঘ সময় সহবাস করার উপায় বা সহবাসের স্থায়িত্বকাল বাড়ানোর পদ্ধতি

বীর্য ঘন করার ঔষধ তৈরির পদ্ধতি

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

শেয়ার করুন