রোগ জীবানু দূর করার সহজ উপায় ওযু ও আধুনিক বিজ্ঞান

সভ্যতা হলো উন্নত জীবন ব্যবস্থা। পরিষ্কার পরিছন্নতা। যাদের মধ্যে উন্নত চিন্তা শক্তি নেই, পরিষ্কার পরিছন্নতা বোঝেনা, তারা এখনো রয়ে গেছে অসভ্য হিসেবে। পৃথিবীর মানুষকে সভ্যতা শিক্ষা দিয়েছে ইসলাম। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কিভাবে থাকতে হয়, এ বিষয়ে দুনিয়ার মানুষকে শিক্ষা দিয়েছে ইসলাম। শুধু সভ্যতাই নয় বরং গোটা বিশ্বের মানুষকে মানুষে পরিণত করেছে ইসলাম।

আর ইসলামের প্রতিটি রীতিনীতির মধ্যে রয়েছে মানবতার কল্যাণ। ওযু সম্পর্কে বর্তমান বিজ্ঞান কি বলে নিচে তা উল্লেখ করা হলো:

ওযুর গুরুত্ব ও তাৎপর্য: পরিছন্নতা হলো এমন একটি বৈশিষ্ট্য পূর্ণ আমল, যা অন্য কোন ধর্মে পরিলক্ষিত হয় না। এর দ্বারা শরীরের অঙ্গ পরিষ্কার হয়। যেখান দিয়ে শরীরে রোগ জীবাণু প্রবেশ করে আর ঐ অংশগুলোই রোগ বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণের প্রধান মাধ্যম। রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার সহজ পদ্ধতি এটাই অর্থাৎ অঙ্গগুলোর সংরক্ষণ করতে হবে।

এবার ওযুর সুন্নত ও ফরজগুলোর দিকে লক্ষ্য করুন। আপনি যখন তিনবার কুলি করেন তখন আপনার মুখের মধ্যে আর ময়লা থাকতে পারে না। যখন আপনি হাত ধৌত করেন, তখন হাতের জীবাণু গুলো দূর হয়ে যায়। মুখ ধৌত করলে মুখের জীবাণু গুলো দূর হবে। মাথা মাসেহ্ করলে স্মৃতি শীতল থাকবে। এবং গর্দান মাসেহ করলে মস্তিষ্ক ঠান্ডা থাকবে। পা ধৌত করলে পায়ে কোন প্রকার জীবানু থাকবে না।

রাসূলে কারীম (স.) বলেন যে, কোন বাড়ির পাশ দিয়ে যদি একটি নদী প্রবাহিত হয়; আর কোনো ব্যাক্তি যদি সেই নদীতে দিন পাঁচবার গোসল করে তাহলে কি তার শরীরের ময়লা থাকতে পারে: সাহাবা (রা.) উত্তর দিলেন না। রাসূলুল্লাহ (স.) বললেন, তেমনি কোনো ব্যাক্তি যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে, তাহলে তার কোন গুনাহ্ থাকেনা।

সম্মানিত পাঠকগণ, একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, যদি আপনি ৫ওয়াক্ত নামাজ পড়েন তাহলে আপনাকে পাঁচবার অজু করতে হচ্ছে, আর পাঁচবার অজু করলে আপনার শরীরে কোন রোগ জীবাণু থাকবে না। এবং আল্লাহ তা’য়ালা আপনার সকল প্রকার সগিরা গুনাহ মাফ করে দিবেন। আর তওবা করলে আল্লাহ তা’য়ালা কবিরা গুনাহ গুলোও মাফ করে দেবেন। আল্লাহ তা’আলা আমাদের সকলকে খাঁটি অন্তরে আল্লাহ তাআলার ইবাদত করার তৌফিক দান করুন।

শেয়ার করুন